Showing posts with label English Class XI. Show all posts
Showing posts with label English Class XI. Show all posts

Daybreak by Henry Wadsworth Longfellow Class 11 English || WBCHSE

Daybreak 
Henry Wadsworth Longfellow

The American writer and poet, Henry Wadsworth Longfellow describes the sounds the clarion call of the morning in this poem. According to him, the sights and sounds hails the rousing of life at daybreak. He personifies the wind as the messenger that announces the night is over and dawn begins. Here the wind cheers the mariners, stimulates the forest, enlivens the birds, rouses the chanticleer, animates the cornfields and tells the belfry tower to ring in the time of Sunrise. The poet Longfellow also mentions that the wind does not want to disturb the dead of those sleeping in the churchyard, because it is not time for them to wake up yet.

Rhyme Scheme of the Poem : Daybreak


Summery of the Poem in Bengali ( সারাংশ)


প্রখ্যাত আমেরিকান লেখক তথা কবি হেনরি ওয়াডস্ওয়ার্থ লংফেলো তাঁর ডেব্রেক কবিতায়,  রাত ও দিনের সন্ধিক্ষণে ঊষালগ্নে দিনের প্রারম্ভকে সুন্দর ভাবে ব্যক্ত করেছেন। এখানে তিনি  বাতাসকে মানুষ হিসাবে তুলনা করেছেন যে ভোরের বার্তাবাহক হিসাবে সমুদ্র থেকে ভূমিভাগের দিকে আসে এবং সকলকে জানান দেয় যে, আর রাত নেই সকাল শুরু হয়ে গেছে। কবির মতে  বাতাস যেন তারস্বরে শিঙ্গা বাজিয়ে কুয়াশাকে বলে তুমি আমায় জায়গা করে দাও।  এরপর বাতাস নৌকা, নাবিক, বনভূমি, বনের পাখি, মোরগ সবাইকে একে একে আহ্বান জানিয়ে বলে সকাল শুরু হয়ে গেছে।  বাতাস যেন মাঠের ফসলের কানে ফিসফিস করে বলে তোমরা নত হয়ে ভোরের সূর্য কে অভিবাদন কর।  এখানেই বাতাস থেমে থাকে না,  সে উঁচু মিনারে বাঁধা  ঘন্টা কে গিয়ে বলে তুমি ঢং ঢং আওয়াজে ভোরের বার্তা চারিদিকে ছড়িয়ে দাও।  তবে চার্চের পাশে থাকা গোরস্থানের উপর দিয়ে বয়ে চলার সময় বাতাস আর শবদেহগুলিকে জাগায় না, বরং বলে তোমরা ঘুমিয়ে থাক,  শান্তিতে বিশ্রাম নাও,  তোমাদের এখনো জেগে ওঠার সময় হয়নি।

Short Question Answer 

1) Who wrote the poem Daybreak?

 Henry Wadsworth Longfellow wrote the poem Daybreak

 2) What does Daybreak imply?

 The word Daybreak implies dawn but symbolically it means light at the end of Darkness.

 3) Whom does the wind in the poem daybreak tell to make room for him?

The wind tells the mists to make room for him.

 4) From where did the wind come in Daybreak?

 The wind came up from the sea in the poem Daybreak.

5) Where did the wind hurry to in Daybreak?

 The wind hurried landward in daybreak. 

6) Who announces daybreak in the poem Daybreak?

 In the poem Daybreak the wind announces the daybreak.

 7) Where does the wind find the ships?

 The wind finds the ships anchored in the harbor.

 8) What does the wind tell the forest to do? 

 The wind tells the forest to hang all his leafy banners out.

 9) What does the wind see the farms?

 The wind sees the sleeping chanticleer in the farms.

 10) What does the wind pursued the chanticleer to do?

 The wind pursues the chanticleer to blow his clarion and proclaim the daybreak.

 11) What does the wind whisper to the fields of corns?

 The wind whispers to the fields of corns to bow down and greet the morning Sun.

 12) What is Belfry Tower?

 Belfry Tower is the large turret of the church where the clock and bell are installed.

 13) What did the wind touch in Daybreak poem?

 The wind touched the folded wings of the wood bird.

 14) What is chanticleer?

 The chanticleer is a domestic cock that shouts in the arrival of a day.

 15) What does the wind tell the church bell?

 The wind tells the church bell to ring loudly and proclaim the Sunrise.

 16) Oh bell Proclaim the hour which hour is referred to here?

 Here the hour refers to the Daybreak.

 17) Where does the wind finally go?

 The wind finally goes to the churchyard.

 18) Why does the wind cross the churchyard with a sigh?

 The wind leaves a deep sigh to think that it cannot awake the buried. 

 19) How are the fields when the wind blows over them?

 When the wind blows over the field, they lie in rest with their crops.

 20) Whom does the wind tell to sing at the advent of the new morning?

 The wind tells the wood bird to sing merrily at the advent of the new morning.

 21) What makes the wind unhappy?

 The wind is unhappy when it passes through the grave of the Churchyard.

 22) Why does the wind want to see the leafy banners of the forest Hangout?

 The wind wants to see the poem to be hailed by the leafy banners of the forest.

 23) What do leafy banners signify?

 The leafy banners signify the twig and branches of the trees.

24) How does the wood Bird rise from sleep?

 The wind tells the wood Bird to wake up and sing.

 25) What does the wind tell the mariners to do?

 The wind tells the mariners to starts a new journey.

 26) Whom does the wind of the sea hail?

 The wind of the sea hails the ships.

 27) What prevents the wind in Daybreak from blowing early?

 In the poem, the mist covering the sea prevents the wind from blowing freely.

 28) How is the sea when the wind comes out of it?

 The sea is still full of mist.

 29) Whom does the wind tell to lie in peace?

The wind tells the dead lying in grave to rest in peace.

 30) “Bow down, and hail the morning.”- Who says this and to whom?

 The wind of the sea says this to the fields of corns.

 31) Why does the wind proclaim differently when it crosses the churchyard?

Because today is not the judgment day that the souls are awake from their churchyard.

 32) What does the phrase not yet in quiet lie suggest?

 In the poem, Daybreak the dead in the graveyard are told to rest in peace and to wait for the judgment day.

 33) Who is the speaker of the poem daybreak?

 In the poem Daybreak the wind is the speaker.



Share:

Meeting at Night by Robert Browning Class 11 English || WBCHSE

Meeting at Night

Robert Browning 

ইংরেজী কবি রবার্ট ব্রাউনিং তাঁর এই “Meeting at Night” কবিতায় দুই প্রেমিকের মধ্যে গোপন সাক্ষাতের বর্ণনা করেছেন। কবিতাটি প্রতিটি ছয় লাইনের দুটি স্তবকে বিভক্ত । কবিতার প্রথম স্তবকটি আমরা দেখতে পাই কৃষ্ণ ভূমিভাগের পাশে অবস্থিত ধূসর সমুদ্রের মধ্য দিয়ে এক প্রেমিক নৌকায় করে ভ্রমণ করছেন । সমুদ্রের প্রান্তে আকাশের দিকে তিনি তাকিয়ে দেখলেন অষ্টমী তিথির আধখানা হলদে চাঁদ যেন আরো বড় হয়ে নীচে নেমে এসেছে । আজ সমুদ্র ধূসর রঙের। তাই চাঁদের আলো প্রায় নিষ্প্রভ । ঘুমন্ত সমুদ্রের বুকে তরঙ্গ তুলে নৌকা চলল এগিয়ে। এক অজানা অস্থিরতা যেন প্রেমিককে গ্রাস করতে থাকে। দীর্ঘ যাত্রাপথ যেন সেই ব্যকুলতাকে আরো বাড়িয়ে দেয়। অবশেষে নৌকা এসে পৌছায় খাঁড়িতে। প্রবল আবেগে পেমিকের ইন্দ্রিয়ে আগুন জ্বলে ওঠে। 

দ্বিতীয় স্তবকটিতে প্রেমীদের সাক্ষাতের স্থান সম্পর্কে বলা হয়েছে । প্রেমিক নির্জন সমুদ্রতট ধরে হাটতে লাগলেন। তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে অবশেষে হাজির হলেন খামারবাড়ির কুটীরে । প্রতীক্ষার চূড়ান্ত অবসান হল । নিজের উপস্থিতি জানান দিতে তিনি জানালার শার্শির কাঁচে টোকা দেন । প্রত্যুত্তরে দিয়াসলাই এর নীলাভ শিখার ঝলকানি ফুটে ওঠে । আনন্দ ও ভয়ের আবহে কম্পমান তাদের হৃদস্পন্দন যেন এখন তাদের মুখের অস্ফুট আওয়াজকেও চাপা দিচ্ছে ।

Critical Analysis of The Poem



The Poem







Share:

Composed Upon Westminster Bridge by William Wordsworth Class 11 English || WBCHSE

Composed Upon Westminster Bridge

William Wordsworth

কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর বোন ডরোথি ওয়ার্ডসওয়ার্থের সাথে 31 জুলাই 1802 সালের খুব ভোরে লন্ডন শহরের পাশদিয়ে বয়েচলা টেমস নদীর বিখ্যাত ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজের উপর দিয়ে জুড়িগাড়ী (ঘোড়ার গাড়ী) করে যাচ্ছিছিলেন। হয়ত তাঁরা ফ্রান্স ভ্রমণের জন্য লন্ডনের পূর্বে অবস্থিত ডোভার থেকে জাহাজ ধরবেন। এই সময়টা ছিল ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের প্রথম দিক। একদিকে যেমন কল-কারখানা গড়ে উঠছে, তেমনি কাজের সন্ধানে শহর গুলিতে দলে দলে মানুষ ভিড় করছে। যাইহোক, ওয়ার্ডসওয়ার্থ যখন ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজের উপর দিয়ে জুড়িগাড়ী করে যাচ্ছিছিলেন, তখন সূর্যের প্রথম কিরণ সবে মাত্র পৃথিবীতে এসে পড়েছে। প্রথম আলোয় স্নাত লণ্ডন শহরকে দেখে প্রকৃতি প্রেমী কবি না দাঁড়িয়ে আর পারলেননা। পরে 1802 সালের 3 সেপ্টেম্বর তাঁর সেই অভিজ্ঞতা তিনি চতুষ্পদী কবিতা হিসাবে লেখেন যার নাম “Composed upon Westminster Bridge.”

Critical Analysis of The Poem



Critical Analysis of The Poem



Summery of the Poem in Bengali ( সারাংশ)

এটি একটি চৌদ্দ লাইনের কবিতা, যার মধ্যে প্রথম আটটি লাইনকে বলে ‘OCTAVE’, এর দ্বারা কোন ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয় এবং শেষ ছয়টি লাইনকে বলা হয় ‘SESTET’ যার মধ্য দিয়ে উপসংহার টানা হয়। OCTAVE এবং SESTET এর মাঝে চিন্তার পরিবর্তনকে ‘VOLTA’ বা ‘TURN’ বলে। কবিতাটি একটি চমকপ্রদ বক্তব্য দিয়ে শুরু হয়েছে। পৃথিবীর আর কিছুই নেই দেখানোর মতো যা আমি দেখলাম এই ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজের উপর থেকে প্রাকৃতিক ভূ-দৃশ্যের মাঝে ভোরের আলোয় চকচক করা লন্ডন শহরকে। একমাত্র নির্বোধ মানুষই এই দৃশ্যকে উপেক্ষা করে এড়িয়ে যেতে পারে। সকালের সৌন্দর্য যেন লন্ডন শহর বসনের মতো পরিধান করে আছে। সেতু থেকে দৃশ্যমান জাহজঘাটা, সেন্ট পলস ক্যাথেড্রালের গম্বুজ এবং লন্ডনের টাওয়ার প্রভৃতি সকালের আলোতে স্বমহিমায় তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে আছে। নিচে টেমস নদী বয়ে চলেছে। ভাগ্যক্রমে, দৃশ্যটি অস্পষ্ট করার জন্য আজ কোনও “কুয়াশা” নেই। তিনি ইশ্বরকে ধন্যবাদ দিয়েছেন যে এখনো প্রাত্যহিক ব্যস্ততার কোলাহলে শহরটি মেতে ওঠেনি বরং দূরের বাড়ি গুলির মতো, বিশাল এই শহরের প্রাণকেন্দ্রটি এখনো ঘুমিয়ে আছে। 

Short Question Answer


1) Who wrote the poem upon Westminster Bridge?

William Wordsworth wrote the poem, ‘Upon Westminster Bridge’.

2) What kind of poem is upon Westminster Bridge?

The poem is a sonnet.( Petrarchan)

3) What is described in the poem upon Westminster Bridge?

The poet describes the city of London at sunrise.

4) What is the rhyme scheme of the poem upon Westminster Bridge?

The rhyme scheme of the poem is abba || abba || cdcdcd.

5) Where does the poet see the city of London?

The poet sees the city of London from the Westminster Bridge.

6) When the poet did noticed the city?

The poet noticed the London city in the early morning.

7) Where is the Westminster Bridge situated?

The Westminster Bridge is situated over the river Thames in London

8) What, according to Wordsworth is the fairest sight on earth?

The poet thinks that the city of London in the early morning is the fairest sight on earth.

9) “Dull would he be of soul” - who would be dull of soul?

The dull of soul refers to those insensible persons who are not moved by the beautiful morning of London.

10) What is the garment of the city of London?


The city of London wears the beauty of early morning.

11) Why is the city of London silent in the early morning?

In the early morning the city of London is silent because the Hustle and bustle is not present.

12) Which things glitter in the smokeless air?

The ships, towers, domes, theaters and Churches glitter and Bright in the smokeless air. 




Share:

Brotherhood: Homage to Claudius Ptolemy Class 11 English || WBCHSE

 Brotherhood: Homage to Claudius Ptolemy

Octavio Paz (1914 - 1998)

Octavio Paz was a powerful writer renowned for his modern poem and writings in Twentieth Century. He paid respect to the Great scholar Claudius Ptolemy, in his Spanish poem “HERMANDAD” which further translated into English by Eliot Weinberger few years later as the poem “BROTHERHOOD”. Ptolemy was the early person who conceives the doctrine of Existentialism that queries the Human presence and its significance in respect of celestial bodies. According to the poet, human life is very short. After death, we don’t know how long the darkness will continue. This is a pessimistic approach. But the poet never gives up his hope. He looks upward and observes the terrestrial living and non-living materials and their inter connection, systems and finally conclude that there is a big force which operates the whole universe properly. This Bigger force may be God who manages everything by law without any malfunction. Now, what is the role of the poet as a human being? Is he just spent a momentary time on this planet? Will he lose himself in the endless darkness forever? Or, He does some creative work that people will remember him after his life. In this way the optimist poet shows us how a mortal life becomes immortal.

Analysis of The Poem : Brotherhood



The Poem : Brotherhood



Summery of the Poem in Bengali ( সারাংশ)

বিংশ শতাব্দীর লেখক অষ্টাভিও পাজ তাঁর আধুনিক কবিতা ও লেখালেখির জন্য বিখ্যাত ছিলেন। অষ্টাভিও পাজ বিখ্যাত পন্ডিত ক্লাউডিয়াস টলেমীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান তাঁর স্প্যানিশ কবিতা “হারমান্ড” এর মাধ্যমে যা আরও কয়েক বছর পরে এলিয়ট ওয়েইনবার্গার ইংরেজী অনুবাদ করেছিলেন "ব্রাদারহুড" কবিতা হিসাবে। টলেমি হলেন প্রথমদিকের ব্যক্তি যিনি অস্তিত্ববাদবাদের মতবাদটি অনুধাবন করেন যা বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের প্রেক্ষিতে মানুষের উপস্থিতির তাৎপর্য অনুসন্ধান করে। কবির মতে মানুষের জীবন অতিসংক্ষিপ্ত। মৃত্যুর পরে, আমরা কতক্ষণ চির অন্ধকার থাকব। এটি একটি নিরাশাবাদী মতাদর্শ। তবে কবি কখনই তার আশা ছাড়েন নি। তিনি ঊর্দ্ধমুখে তাকান এবং পার্থিব সজীব এবং নির্জীব বস্তু এবং তাদের মধ্যকার আন্তঃসংযোগ, তাদের কার্য প্রনালী পর্যবেক্ষণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন যে একটি বৃহৎ শক্তি রয়েছে যা পুরো বিশ্বজগতকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে। এই বৃহৎ শক্তি হতে পারে সর্বশক্তিমান ভগবান, যিনি পূর্ব নির্ধারিত নিয়মের দ্বারা কোনও ত্রুটি ছাড়াই সবকিছু সঠিকভাবে পরিচালনা করেন। যাইহোক, মানুষ হিসাবে কবির ভূমিকা কী? তিনি কি এই গ্রহে মুহূর্তের জন্য সময় কাটিয়ে চলে যাবেন? তিনি কি চিরতরে অনন্ত অন্ধকারে নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন ? অথবা, তিনি এমন কিছু সৃজনশীল কাজ করবেন, যার জন্য লোকে তাকে তাঁর মৃত্যুর পরেও স্মরণ করবে। এইভাবে আশাবাদী কবি আমাদের দেখায় যে কীভাবে একটি মরণশীল জীবন অমর হয়ে যায়।

Short Question Answer 






Share:

Popular Posts

Recent Posts

Total Pageviews