Showing posts with label Geography Class IX. Show all posts
Showing posts with label Geography Class IX. Show all posts

River system of west Bengal Class 10 geography || পশ্চিমবঙ্গের নদ-নদীর শ্রেণীবিভাগ দশম শ্রেণী || WBBSE

পশ্চিমবঙ্গ কে নদীমাতৃক রাজ্য বলে কেন ? 

ভারতের অঙ্গরাজ্য গুলির মধ্যে পূর্বাঞ্চলের অন্তর্গত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিনে বঙ্গোপসাগর থেকে উত্তরে হিমালয় পর্যন্ত প্রসারিত। ভারতের আর কোনো অঙ্গরাজ্যের এইরূপ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অবস্থান লক্ষ্য করা যায় না। অবস্থান গত, জলবায়ুগত বৈচিত্র এবং ভূমিরূপের বিভিন্নতার কারনে এই রাজ্যের উপর দিয়ে অসংখ্য নদ-নদী জালের মত চতুষ্পার্শ্বে বিস্তৃত রয়েছে। এই অসংখ্য নদ নদী শুধুমাত্র নৌ পরিবহনই নয়, এই রাজ্যের আর্থ সামাজিক পরিকাঠামো অর্থাৎ কৃষি, শিল্প, ব্যবসা বাণিজ্য, সংস্কৃতি প্রতিটি ক্ষেত্রে নদী গুলির প্রভাব সুস্পষ্ট। তাছাড়া রাজ্যবাসীর চারিত্রিক কাঠামোর উপর নদী গুলির সুদুর প্রসারি প্রভাব রয়েছে, তাই আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গকে স্বাভাবিক ভাবেই নদীমাতৃক রাজ্য বলে। 



পশ্চিমবঙ্গের নদ-নদীর শ্রেণীবিভাগ কর এবং বৈশিষ্ট্য সহ এদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধর । 

বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি ভেদে বিভিন্ন বিজ্ঞানীগণ পশ্চিমবঙ্গের নদ-নদীকে প্রধান তিনটি ভাগে বিভক্ত করেছেন। এই বিভাগ গুলি হল যথাক্রমে ১) বরফ গলা জলে পুষ্ট নদ-নদী বা উত্তরবঙ্গের নদ নদী সমূহ ২) বর্ষন পুষ্ট বা বৃষ্টির জলে সৃষ্ট নদ-নদী বা দক্ষিণবঙ্গের নদ-নদী সমূহ এবং ৩) জোয়ারের জলে প্লাবিত নদ-নদী বা সুন্দরবন অঞ্চলের নদ নদী সমূহ। 



A) বরফ গলা জলে পুষ্ট নদ-নদী বা উত্তরবঙ্গের নদ নদী 

উত্তরে হিমালয় থেকে দক্ষিনে গঙ্গা নদী পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সীমা নির্ধারিত। উত্তরবঙ্গ উত্তরে অবস্থিত হিমালয় পর্বতের হিমবাহ থেকে যে সকল নদী গুলি সৃষ্টি হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল গঙ্গা, তিস্তা, মহানন্দা, বালাসন, জলঢাকা, তোর্সা, কালজানি, রায়ডাক, সংকোশ প্রভৃতি। 

গঙ্গা নদী 

পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ নদী হল গঙ্গা। কুমায়ুন হিমালয় উৎপত্তি লাভ করে রাজমহল পাহাড়ের নিকট গঙ্গা নদী পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছে এবং ধুলিয়ান এর নিকট দুই ভাগে ভাগ হয়ে প্রধান শাখাটি পদ্মা নাম নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, অপর শাখাটি ভাগীরথী- হুগলি নামে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে। এই নদীর তীরে কলকাতা নগরীর পত্তন হয়। পরবর্তীকালে এই নদীর তীরে হুগলি শিল্পাঞ্চল বিকাশ লাভ করে। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের কৃষি, জলসেচ, ব্যবসা বাণিজ্য, নৌপরিবহন, সংস্কৃতি ও পর্যটনে এই নদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 

তিস্তা নদী 

উত্তরবঙ্গের প্রধান নদী তথা ত্রাসের নদী হল তিস্তা। এই নদীটি সিকিমের জেমু হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করে দার্জিলিং পাহাড়কে দুই ভাগে বিভক্ত করে দক্ষিণ পূর্বে প্রবাহিত হয়ে হলদিবাড়ির নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।তিস্তা ও তার উপনদী বাহিত পলি সঞ্চয়ে ডুয়ার্স ও বরেন্দ্রভূমির সৃষ্টি হয়েছে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে, কৃষিতে, জলসেচে তিস্তা নদীর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। জলপাইগুড়ি, হলদিবাড়ি প্রভৃতি জনপদ এই নদীর তীরে গড়ে উঠেছে। 

বরফ গলা জলে পুষ্ট নদ-নদী বা উত্তরবঙ্গের নদ নদী


উত্তরবঙ্গের নদী গুলির বৈশিষ্ট্য 

১) নদীগুলি হিমবাহের বরফ গলা জলে পুষ্ট বলে এরা নিত্যবহ। 

২) নদীগুলি পার্বত্য হইতে উৎপত্তি লাভ করে খাড়া সমভূমি তে পতিত হওয়ায় নদীর প্রসস্থ এবং অগভীর, তাই বর্ষার অতিরিক্ত জলে নদীগুলি প্লাবিত হয়ে প্রতিবছর বন্যা সৃষ্টি হয়। 

৩) সমভূমি অঞ্চলে নদীগুলি প্রতিনিয়ত নিজেদের গতিপথ পরিবর্তন করে। 

৪) নদীগুলি খরস্রোতা বলে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ। 

৫) পার্বত্য প্রবাহে নদীগুলি সুগভীর গিরিখাত গঠন করে নেমে এসেছে। 

৬) নদীগুলির পার্বত্য প্রবাহে একাধিক জলপ্রপাত দেখা যায়। 



B) বর্ষণ পুষ্ট নদনদী বা দক্ষিণবঙ্গের নদ-নদী 

দক্ষিণবঙ্গের নদ-নদী বর্ষার জলে পুষ্ট এবং এদের বেশির ভাগের উৎপত্তি স্থল হল পশ্চিমের ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল। ভূমি ভাগের ঢাল অনুসারে এই নদীগুলি পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয় ভাগীরথী- হুগলি নদীতে এসে মিলিত হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বর্ষন পুষ্ট বা বৃষ্টির জলে সৃষ্ট নদী গুলির মধ্যে দামোদর, কংসাবতী বা কাসাই, শিলাবতী বা শিলাই, অজয়, রূপনারায়ন, ময়ূরাক্ষী, সুবর্ণরেখা, কেলেঘাই, হলদিনদী উল্লেখযোগ্য। 

দামোদর 

পশ্চিমবঙ্গের বৃষ্টির জলে পুষ্ট নদী গুলির মধ্যে দামোদর সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ নদী। ফিবছর বন্যার কারনে একসময় দামোদর নদকে বাংলার দুঃখ বলা হত। পরবর্তীকালে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন গঠিত হওয়ার পর নদী অববাহিকায় বাধ দিয়ে কৃত্রিম জলাশয় তৈরি করে বন্যা রোধ করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি দামোদর নদের অববাহিকা অঞ্চলে গন্ডোয়ানা যুগের কয়লা সঞ্চয় থাকার ফলে এর উপর ভিত্তি করে দুর্গাপুর আসানসোল বার্নপুর কুলটি প্রভৃতি শিল্পকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। 

বর্ষণ পুষ্ট নদনদী বা দক্ষিণবঙ্গের নদ-নদী


দক্ষিণবঙ্গের নদী গুলির বৈশিষ্ট্য 

১) নদীগুলি হিমবাহ পুষ্ট নয়। বর্ষনপুষ্ট হওয়ায় নদী গুলিতে বর্ষাকালে জল থাকলেও গ্রীষ্মকালে এবং শীত ঋতুতে নদী গুলি শুকিয়ে যায়। 

২) উৎস অঞ্চল মালভূমির অন্তর্গত তাই উৎস অঞ্চলের নদীগুলি যথেষ্ট খরস্রোতা । 

৩) উত্তরবঙ্গের নদী গুলির তুলনায় দক্ষিণবঙ্গের নদী গুলির দৈর্ঘ্য অনেক কম। 

৪) বঙ্গোপ গরের নিকটবর্তী হওয়ায় নদী গুলির মোহনা অঞ্চলে জোয়ার ভাটা লক্ষ্য করা যায়। 

৫) অনিত্যবহ প্রকৃতির বলে নৌপরিবহনে এই নদীগুলি বিশেষ উপযোগী নয়। 

৬) দক্ষিণবঙ্গের নদী গুলির প্রবাহ পথ ও মোহনা অঞ্চল গঙ্গার ব-দ্বীপ সমভূমির অন্তর্গত বলে, দক্ষিণবঙ্গের নদী গুলির গতিপথ অত্যন্ত আঁকাবাঁকা এবং দীর্ঘ দিনের পলি সঞ্চয়ে নদীখাত গুলি ক্রমশ ভরাট হয়ে এসেছে। 

C) জোয়ার ভাটা জলে প্লাবিত সুন্দরবন অঞ্চলের নদ-নদী 

জোয়ারের জলে প্লাবিত নদী বলতে সুন্দরবনের অন্তর্গত নদী এবং সামুদ্রিক খাড়ি গুলিকে বোঝায়। এরা মূলত ভাগীরথী ও হুগলি নদীর শাখানদী এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরা একে অপরের সাথে যুক্ত। এই নদী গুলির মধ্যে মাতলা, হাড়িয়াভাঙ্গা, পিয়ালী, ঠাকুরান, সপ্তমুখী, গোসাবা, রায়মঙ্গল, ইচ্ছামতি প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 

জোয়ার ভাটা জলে প্লাবিত সুন্দরবন অঞ্চলের নদ-নদী


সুন্দরবন অঞ্চলের নদী গুলির বৈশিষ্ট্য 

১) সামুদ্রিক জোয়ারে নদী গুলি প্লাবিত হওয়ায় জোয়ারের সময় নদী গুলিতে নৌকা চলাচল করলেও ভাটার সময় নদীগুলি নৌপরিবহনে অযোগ্য। 

২) সামুদ্রিক জোয়ারে প্লাবিত হওয়ায় নদীগুলির জল লবণাক্ত হয়ে পড়েছে। 

৩) অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নদীগুলি সামুদ্রিক খাড়িতে পর্যবসিত হয়েছে। 

৪) নদীখাত গুলি দীর্ঘদিনের পলি সঞ্চায়ে ভরাট হয়ে পড়েছে তাই নদীগুলি অত্যন্ত অগভীর এবং অনেক সময় নদীগুলি তাদের মূল প্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। 

৫) সামুদ্রিক জোয়ারে প্লাবিত হওয়ার ফলে মৎস্য শিকারে নদীগুলি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ, এমনকি এই নদীগুলি স্থানীয় জীবনযাত্রা প্রণালীকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে। 


Share:

Hoogly Industrial Area Class 9 Geography || হুগলি শিল্পাঞ্চল নবম শ্রেণী ভূগোল || WBBSE

হুগলি শিল্পাঞ্চল

হুগলি শিল্পাঞ্চলের  অবস্থান ও বিস্তার এবং শিল্পাঞ্চল টি  গড়ে ওঠার কারন ব্যাখ্যা কর। 

পশ্চিমবঙ্গে হুগলি নদীর উভয় তীরে উত্তরে ত্রিবেণী থেকে কল্যাণী এবং দক্ষিনে উলুবেড়িয়া থেকে বিড়লাপুর পর্যন্ত প্রায় 100 কিমি দীর্ঘ এবং প্রায় 15 থেকে 20 কিলোমিটার ছড়া হুগলি নদীর উভয় তীরে প্রায় 1600 বর্গ কিমি অঞ্চলজুড়ে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম এবং ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম হুগলি শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠেছে। কলকাতা বন্দর শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই শিল্পাঞ্চল বৃহত্তর কলকাতা শিল্পাঞ্চল নামেও পরিচিত। সমগ্র ভারতের মোট শিল্প সংস্থার প্রায় 15% এই অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। 


গড়ে ওঠার কারন


1690 সালের 24 শে আগস্ট জব চার্নক সুতানুটি গোবিন্দপুর ও কলিকাতা নামে তিনটি গ্রাম ক্রয় করে কলকাতার   পত্তন  করেন। ব্রিটিশ বণিকরা এদেশে ক্ষমতা লাভের পর এই শহর ভারতের রাজধানী শহরে পর্যবসিত হয় যা এই শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার পটভূমি সৃষ্টি করে।  পাশাপাশি যেসকল প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক উপাদান গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল -


 প্রাকৃতিক কারন


১) নাব্য নদীপথ


বঙ্গোপসাগর থেকে 128 কিমি অভ্যন্তরে কলকাতা বন্দর হুগলি নদীর বাম তীরে অবস্থিত।  এই সময় গঙ্গার প্রধান ধারা ভাগীরথী হুগলি পথে প্রবাহিত  হত বলে নদীটি ছিল  সুনাব্য।  ফলে আমদানি ও রপ্তানির  যে বিশেষ সুযোগ সৃষ্টি হয়,  তা এই শিল্পাঞ্চলের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ।


২) ভূমিরূপ


 হুগলি নদীর উভয় তীরে পলি সঞ্চিত হয়ে যে স্বাভাবিক বাধের সৃষ্টি হয়েছে তা ক্রমশ ঢালু হয়ে দুই দিকে প্রসারিত হয়ে যাওয়ায় জলপথ ও শিল্প কারখানা গড়ে তোলা সহজ হয়েছে।


৩) কাঁচামালের প্রাচুর্য


বিভিন্ন শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল যেমন পাট, বাঁশ,  চামড়া এবং ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের প্রয়োজনীয় ইস্পাত সংলগ্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহের বিশেষ সুবিধা থাকায় এই অঞ্চলের বিকাশ সহজ হয়।


৪) শক্তি সম্পদ


কলকাতা বা হুগলি শিল্পাঞ্চল এর অনতি - পশ্চিমেই  রানীগঞ্জ ও ঝরিয়া কয়লা ক্ষেত্র অবস্থিত। তাই প্রয়োজনীয় শক্তি সম্পদ সুলভে  সংগ্রহ করা যায়।


৫) জলসম্পদ


ভাগীরথী হুগলি নদী সুপেয় জলের ধারা বহন করে।  তাই শিল্প  এবং সংলগ্ন জনপদের প্রয়োজনীয় জল সরবরাহ সহজ সাধ্য।


 অর্থনৈতিক কারন

১) উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা


এই শিল্পাঞ্চলটি  পূর্ব,  দক্ষিণ-পূর্ব রেলপথের বিভিন্ন শাখা প্রশাখাতে  যুক্ত এবং একাধিক জাতীয় সড়ক,  ও অন্যান্য পাকা সড়কের পাশাপাশি বিমানপথ ও নৌপথে ভারতের প্রধান প্রধান বাজার গুলির সাথে  যুক্ত। তাই শিল্প সামগ্রীর চাহিদা অনুসারে  উৎপাদিত পণ্য বাজারে প্রেরণ অত্যন্ত সহজ।  পাশাপাশি শিল্পের প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ এবং শ্রমিকদের যাতায়াত অত্যন্ত সুবিধাজনক।


২) সুলভ শ্রমিক 


নিম্ন গাঙ্গেয় সমভূমির অন্তর্গত এই অঞ্চলটির জনবসতি প্রকৃতির তাছাড়া জীবিকার তাড়নায় বিহার ও উড়িষ্যা থেকে ছুটে আসা মানুষের ভিড়ে ভরপুর কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে শ্রমিক সুলভই নয়, যথেষ্ট সস্তা। 


৩) মূলধন সরবরাহ


প্রাথমিক পর্যায়ে ব্রিটিশ ও স্কটিশ বণিক গণের মূলধন বিনিয়োগ এবং পরবর্তীকালে বাঙালি,  মাড়োয়ারি, গুজরাটি শিল্পপতি এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক,  বীমা সংস্থা, শিল্প বিকাশ ব্যাঙ্ক প্রভৃতি সংস্থার মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহের  সহজ সুযোগ শহরটি লাভ করেছে।


৪) উন্নত প্রযুক্তি


 অঞ্চলটি পশ্চিমী কারিগরি বিদ্যায় যথেষ্ট পারদর্শী এবং পরবর্তীতে দেশীয় ও বিদেশী প্রযুক্তির সংযুক্তি ঘটিয়ে উন্নত প্রযুক্তির সুযোগ অঞ্চলটি লাভ করেছে।


৫) ঘনবসতি


 অঞ্চলটি নিবিড় বসতিপূর্ণ হওয়ায়  শিল্পজাত সামগ্রীর চাহিদা সুপ্রচুর।


৬) শিল্পের পরিকাঠামো


ব্রিটিশ শাসনকাল থেকে এই অঞ্চলে শিল্প গঠনে সুন্দর পরিকাঠামো গড়ে ওঠে,  যার ধারা আজও বজায় রয়েছে।


৭) আমদানি ও রপ্তানির সুবিধা


কলকাতা বন্দরের সান্নিধ্য হেতু  আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের সুবিধা অঞ্চলটিতে রয়েছে।


৮ ) ঐতিহাসিক পটভূমি


কলকাতা ছিল ইংরেজদের সবচেয়ে বড় ঘাটি ও ব্যবসা কেন্দ্র। তাই ইংরেজ সরকার নিজেদের স্বার্থেই এই অঞ্চলের শিল্প বিকাশে সহায়তা করে।


উক্ত কারণ গুলির উপর ভিত্তি করে এই অঞ্চলটিতে যে সকল শিল্পের বিকাশ ঘটেছে তারমধ্যে পাট শিল্প, বস্ত্রশিল্প, রাসায়নিক শিল্প, কাগজ শিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প, মোটর গাড়ি শিল্প, চর্ম শিল্প এবং অ্যালুমিনিয়াম শিল্প বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 




Share:

Popular Posts

Recent Posts

Total Pageviews